কম্পিউটার টিপস,অনলাইন ইনকাম, মোবাইল টিপস, প্রাকৃতিক ঔষধ, ঔষধী গাছ, ইসলামী জীবন,

Know More

প্রাকৃতিক ঔষধ

সুস্থ থাকতে হলে প্রাকৃতিক ঔষধ খান। নিজে সুস্ থাকুন এবং নিজের পরিবার ও অন্যকে সুস্থ রাখুন ।

কম্পিউটার টিপস

ডেক্সটপ, ল্যাপটপ সহ কম্পিউটারের সকল টিপস এখনে পাবেন।

ঔষধি গাছ

অসামান্য গুণেভরা ঔষধি গাছ

Online Earning

Learning and Earning Tips

ইসলামি জীবন

ইসলামী জীবন ব্যবস্থায় নিজেকে গড়ে তুলেন

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০১৯

In-house Training Manual (ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল )

ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল

 

In-house
In-house Training Manual

 

 আগামী ১৫/০৬/২০১৯ তারিখ হইতে শুরু হচ্ছে উপজেলা ভিত্তিক ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ । 

শিখন-শেখানো কার্যক্রমে আই, সি, টি -এর ব্যবহার উক্ত প্রশিক্ষণে বিরাট ভূমিকা রাখবে।

উক্ত প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালটি সকলের জন্য শেয়ার করলাম।


প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন  
Share:

শনিবার, ১ জুন, ২০১৯

বিটকয়েন আয় করার ১০০ % কার্যকরী সাইট ।

বিটকয়েন আয়

আজকে নিয়ে এসেছি কি করে আমরা বিটকয়েন আয় করব 

আগের পোস্টে  বলেছিলাম আমরা কি করে  Coinbase এ একটা অ্যাকাউন্ট তৈরি করবো।  সেটা যদি কেউ না দেখে থাকেন তাহলে এখানে ক্লিক করে  ওই পোস্টটা দেখে নিন।

বিটকয়েন এক ডিজিটাল কারেন্সি


 আজকে আপনাদেরকে একটি নতুন সাইটে কাজ করার ধারনা দিব, যাহা পোস্টের শিরোনামে পূর্বেই বলেছিএখানে কাজ করাটা খুবই সহজ।  এটা একটি বিট কয়েন বিষয়ক সাইট। অবশ্য ফ্রিল্যান্স বলে কেউ ভূল করবেন নাএখানে ফ্রিল্যান্স সাইটের মত টাকার পাহাড় না হলেও নেহাত মন্দ নেই, তবে অনেক আসল পিটিসি সাইট হতে ভালআমার মনে হয়- বিট কয়েন সাইটের ইনকামের মত অত সহজ রাস্তা এখনও হয়নি

জেনে  নেওয়া যাক বিটকয়েন কি?


বিটকয়েন হল ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটকলের মাধ্যমে লেনদেন হওয়া সাংকেতিক মুদ্রা। বিটকয়েন লেনদেনের জন্য কোন ধরনের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠাননিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান বা নিকাশ ঘরের প্রয়োজন হয় না। ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এই মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন করেন। বিটকয়েনের লেনদেন হয় পিয়ার টু পিয়ার বা গ্রাহক থেকে গ্রাহকের কম্পিউটারে বা মোবাইলে  বিটকয়েনের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় অনলাইনে একটি উন্মুক্ত সোর্স সফটওয়্যারের মাধ্যমে অথবা কোন ওয়েব সাইটের মাধ্যমে 

 
আগে আপনার অবশ্যই Coinbase এ একটা একাউন্ট থাকতে হবে । নতুবা আপনি বিটকয়েন আয় করতে পারবেন না ।  দেখা যাক কি করে আমরা বিটকয়েন উপার্জন করব সম্পূর্ন ফ্রি ভাবে

 আমি অনেক ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করার পর আপনাদের জন্য বিশ্বাসযোগ্য কয়েকটি  সাইট নিয়ে এসেছি । যেগুলো দিয়ে আপনি  ফ্রি বিটকয়েন  আয় করতে পারেন । সাইট গুলি  হচ্ছে-


1. freebitcoin

2. bitminer

3. bitnyx

4. btcclicks

 

1. freebitcoin

আপনি  এখানে  ক্লিক করুন  ক্লিক করার সাথে সাথে আপনার ব্রাউজার এরকম একটা
ইন্টারফেস আসবে
Bitcoin
Bitcoin

এই সাইটে রেজিস্টার করতে হবে । তার পর login করে আয় করবেন।

বিস্তারিত নিচের ভিডিও টি তে দেখতে পাবেন। 


2. bitminer

আপনি  এখানে  ক্লিক করুন  ক্লিক করার সাথে সাথে আপনার ব্রাউজার এরকম একটা
ইন্টারফেস আসবে

earn bitcoin
earn bitcoin



এই সাইটে রেজিস্টার করতে হবে । তার পর login করে আয় করবেন।

বিস্তারিত নিচের ভিডিও টি তে দেখতে পাবেন। 


3. bitnyx

আপনি  এখানে  ক্লিক করুন  ক্লিক করার সাথে সাথে আপনার ব্রাউজার এরকম একটা
ইন্টারফেস আসবে

online income bd
online income bd

এই সাইটে রেজিস্টার করতে হবে । তার পর login করে আয় করবেন।

বিস্তারিত নিচের ভিডিও টি তে দেখতে পাবেন। 


4. btcclicks

আপনি  এখানে  ক্লিক করুন  ক্লিক করার সাথে সাথে আপনার ব্রাউজার এরকম একটা
ইন্টারফেস আসবে

free bitcoin
free bitcoin



এই সাইটে রেজিস্টার করতে হবে । তার পর login করে আয় করবেন।

বিস্তারিত নিচের ভিডিও টি তে দেখতে পাবেন। 



                  সম্পূর্ণ  ভিডিও টি দেখেন






ভিডিও টি  না দেখতে পেলে এখানে ক্লিক করুন 



Share:

বুধবার, ২৯ মে, ২০১৯

coinbase এ একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করার প্রক্রিয়া ।

আজকের পোস্ট কি করে আপনি coinbase এ একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন


 আপনি যে সমস্ত বিটকয়েন আয় করবেন তা কোথায় রাখবেন। তা রাখার জন্য অনলাইনে এরকম অনেক ওয়েবসাইট আছে।  যেগুলি তে অ্যাকাউন্ট করলে আপনি আপনার বিটকয়েন  জমা রাখতে পারেন । সেরকম একটা সাইট এবং নির্ভরযোগ্য,  খুব ভালো মানের একটা সাইট হচ্ছে coinbase 

coinbase এ  কি করে অ্যাকাউন্ট করবেন তার বিস্তারিত বর্ণনা আজকের এই পোস্টে লিখলাম । তো দেখা যাক কি করে আমরা coinbase এ একাউন্ট খুলব।  প্রথমে আপনি coinbase এ একাউন্ট খোলার জন্য এখানে ক্লিক করুন 

ক্লিক করার পর আপনার ব্রাউজারে দেখবেন  নিচের ছবির মত একটা ইন্টারফেস চলে আসবে

coinbase
coinbase

এখানে এই ঘরগুলি আপনাকে পূরণ করতে হবে । 
এখানে নামের ফার্স্ট নেম যেটা নামের প্রথম অংশ ।
এরপর লাস্ট নেম নামের শেষ অংশ 
ই-মেইল এখানে আপনার ই-মেইল দিবেন 
তারপর পাসওয়ার্ড -এর ঘরে   আপনার ইচ্ছামত পাসওয়ার্ড দেবেন । যেটা আপনি মনে রাখতে পারেন 
 আপনাকে ক্যাপচা পূরণ করতে হবে I am not a robot এর মধ্যে যখন ক্লিক দিবেন

 ক্লিক দেওয়ার সাথে সাথে আপনার সামনে নিচের চিত্রের মত এরকম একটা ইন্টারফেস চলে আসবে

captcha read
captcha read

 ক্যাপচা পূরণ করার জন্য এখানে লেখা আছে crosswalks মানে রাস্তা ক্রস করার চিহ্ন গুলো কোথায় আছে এগুলোর মধ্যে আপনি ক্লিক করবেন । দেখে দেখে বুঝে ক্লিক করবেন আর এটা যদি আপনি না বুঝতে পারেন । তাহলে নিচে দেখেন একটা চিহ্ন আছে।  যদি আপনি না বুঝেন তাহলে এখানে ক্লিক করলে নতুন করে আরেকটা ক্যাপচা আসবে । এরপরেও যদি না বুঝেন তাহলে এভাবে আবার ক্লিক করবেন আর একটা চলে আসবে যখন আপনি বুঝতে পারবেন তখন এগুলো ক্লিক করে VERIFY  এ ক্লিক করবেন।  অনেক সময় ভেরিফাই করার জন্য নেক্সট  আসে এভাবে নেক্সট দেওয়ার পর শেষে ভেরিফাই এ  ক্লিক করবেন।   যখন VERIFY হবে তখন নিচের চিত্রের মত  আরেকটা ইন্টারফেস চলে আসবে

btc wallet
btc wallet


দেখেন I am not a robot  লেখা আছে ওখানে টিক চিহ্ন হয়ে গেছে । তারপর আপনি নিচে দেখেন একটা কন্ডিশন বা প্রাইভেসি পলিসি আছে টিক চিহ্ন করে দিতে হবে । এখানে টিক চিহ্ন দিয়ে তারপর SIGN UP এ ক্লিক করবেন।   তখন আপনার ই-মেইল একটা  মেইল চলে যাবে।  নিচের চিত্রের মত

coinbase
coinbase

 ই-মেইলে   ক্লিক করবেন তখন আপনার সামনে মেইলটা খুলবে । যা নিচের চিত্রের মত


coinbase
coinbase

 ই-মেইল এড্রেস ভেরিফাই ক্লিক  দিবেন । তখন নিচের চিত্রের মত আসবে

coinbase
coinbase

ই-মেইল এড্রেস ভেরিফাই হয়ে  নিচের চিত্রের মত আসবে

coinbase
coinbase
 এখানে আপনার ফোন নাম্বার দিতে হবে । ফোন নাম্বার দেওয়ার জন্য Bangladesh সিলেক্ট আছ।  যদি না থাকে তাহলে সিলেক্ট করে নেবেন এবং ইউর ফোন নাম্বার এর জায়গায় আপনার ফোন নাম্বার দিবেন। যে মোবাইলটা আপনি ব্যবহার করেন অবশ্যই সে নাম্বারটা দেবেন এরপর  Send Code এ ক্লিক।  ক্লিক দেওয়ার পর আপনার মোবাইলে একটা মেসেজ চলে যাবে নিচের চিত্রের মত

coinbase
coinbase
  দেখুন এরকম একটা মেসেজ আসবে এই মেসেজটা মধ্যে লেখা আছে coinbase: 0728475 আপনার মোবাইলে মেসেজে যাওয়া কোডটি দিয়ে আপনার মোবাইল ভেরিফাই করবেন নিচের চিত্রের মত

coinbase
coinbase
Submit এ ক্লিক করবেন। Submit ক্লিক করার পর নিচের চিত্রের মত আসবে

coinbase wallet
coinbase wallet
  এরকম একটা চিত্র আসলে বুঝবেন আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে গেছে।

 শুধু একাউন্ট হলে তো হবেনা। আপনাকে একট বিটকয়েন এড্রেস  তৈরী করতে হবে। এড্রেস  তৈরী  করার জন্য আপনার একাউন্ট এর উপরে দেখেন Tools  লেখা আছে। Tools এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রের মত  আসবে

coinbase wallet
coinbase wallet

Create New Address  ক্লিক করবেন ।
তখন  আপনার একটা বিটকয়েন এড্রেস   খুলে যাবে  যা উপরের চিত্রের মত ।

আপনার মূলত অ্যাড্রেসটা দিয়ে কাজ করতে হবে  ।  কারণ আপনি যে  বিটকয়েন আয় করবেন  তা এই এড্রেস এর মাধ্যমে আপনার একাউন্টে চলে আসবে ।

 তো আজকে আমরা দেখলাম কি করে coinbase এ একটা একাউন্ট খুলতে হয় এবং  একটা বিটকয়েন এড্রেস খুলতে হয় ।

ভিডিও টা একবার দেখে নিন তাহলে অনেক সহজ হবে । 








 ভিডিও টি  না দেখতে পেলে এখানে ক্লিক করুন 

এখন আমি দেখাবো কি করে আপনি বিটকয়েন এড্রেস দিয়ে  বিটকয়েন আয় করতে পারেন । বিটকয়েন আয় করার জন্য বিভিন্ন ফ্রি সাইট আছে । যারা ফ্রি বিটকয়েন দিচ্ছে ।  বিটকয়েন এর মূল্য অনেক। যেমন - 1 BTC = $8588.37 

এখন বিটকয়েন আয় করার জন্য এখানে ক্লিক করুন 

পরে আমি দেখাবো কি করে আপনার  coinbase এ জমাকৃত বিটকয়েন  বিক্রি করে তারপর আপনার মোবাইল একাউন্ট যেমন- বিকাশ , রকেট বা ব্যাংক একাউন্টে আপনি আপনার টাকাটা নিয়ে আসতে পারেন।  তার জন্য আরেকটি পোস্ট করব । তো আজকে এই পর্যন্তই।

খোদা হাফেজ -
Share:

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৯

ল্যাপটপ কেনার সময় যে বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিৎ ।

ল্যাপটপ কেনার সময় যে বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিৎ ।





কেউ যখন কাউকে প্রশ্ন করে যে কোন ল্যাপটপটি সবচেয়ে ভালো, তখন প্রায়শই এই কথা শোনা যায় যে এই প্রশ্নের কোন পরিষ্কার উত্তর নেই। বাজারে এখন বিভিন্ন ধরণের ল্যাপটপ আছে যেগুলো একটি আরেকটি থেকে দামে এবং কনফিগারেশনে সম্পুর্ণ আলাদা। এই পোস্টে আমরা মূলত উইন্ডোজ ল্যাপটপ কেনার ব্যাপারে আলোচনা করব। অ্যাপল ম্যাকবুক কেনা নিয়ে অন্যদিন পোস্ট দেয়ার আশা রাখছি। উইন্ডোজ ল্যাপটপ কেনার সময় যে যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখা দরকার সেগুলো হলঃ
  

১। আকারঃ ল্যাপটপ কেনার সময় মুখ্য বিষয় হয় যদি বহন করা, তাহলে নোটবুক কেনাই যথাযথ । নোটবুক কেনার সময় নোটবুকের ওজন দেখে নেওয়া দরকার। যেকোন ল্যাপটপ যেগুলো আল্ট্রাবুক হিসেবে চিহ্নিত থাকে সেগুলো কেনাই সবচেয়ে ভালো কারণ এটা যেমন হালকা তেমন সরু। সাধারণত যেসকল ল্যাপটপের স্ক্রিন সাইজ ১২.৫-১৩.৩ এর মধ্যে থাকে সেগুলোর ওজন ১ থেকে ১.৫ কেজির মধ্যে থাকে। তবে মাঝামাঝি দামে (৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকায়) আল্ট্রাবুক পাবেন না। ১৫.৬ ইঞ্চি স্ক্রিনের ল্যাপটপ হতে পারে আদর্শ সাইজের নোটবুক।
২। স্ক্রিনের মানঃ যেহেতু ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে আপনাকে সবসময় তাকিয়ে থাকতে হবে, তাই এমন স্ক্রিনের ল্যাপটপ কেনা উচিত যাতে স্ক্রিনটি আপনার সাথে খাপ খাইয়ে যায়। স্ক্রিনের আরো একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এর রেজুলেশন কত তা দেখে ল্যাপটপ কেনা। এক্ষেত্রে ১৯২০x১০৮০ পিক্সেল এর স্ক্রিন সকল কাজের জন্য আদর্শ বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এবং কেনার সময় অবশ্যই একবার ল্যাপটপটি চালিয়ে দেখে নেওয়া উচিত। স্ক্রিন যদি আলো প্রতিফলন না করে তবে সেটা যেকোনো স্থানে চালানোর জন্য ভাল হবে।


৩। কিবোর্ডঃ ক্রেতা যে ধরণের কি বোর্ডের সাথে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তাকে অবশ্যই সে কি বোর্ড সম্বলিত ল্যাপটপটি কিনতে হবে। কেনার সময় অবশ্যই দেখে নেওয়া উচিত যে কিবোর্ডটিতে ব্যাকলিট আছে কিনা। ব্যাকলিট থাকলে অন্ধকারেও ল্যাপটপের বোতাম গুলো দেখা যায়। মাঝারি দামের ল্যাপটপের কিবোর্ডেও আজকাল লাইট থাকে।
৪। সিপিইউ এবং গ্রাফিক্সঃ বাজারে এখন ইন্টেলের কোর আই সিরিজের সিপিইউ/প্রসেসরগুলো বেশি চলছে কারণ এগুলো একই সময়ে বিভিন্ন কাজ একই সাথে করতে পারে। সাধারণ হিসেবে কোর আই ৭ সিপিউ সম্বলিত ল্যাপটপগুলো কেনা ভালো কারণ এটি সচরাচর ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ ভাল সেবা প্রদান করে থাকে। বাজেট মাঝামাঝি হলে কোর আই ৫ বা কোর আই ৩ প্রসেসরের ল্যাপটপও নিতে পারেন।
আর গ্রাফিক্সের ক্ষেত্রে, আপনি যদি সচরাচর ভিডিও এডিটিং না করেন, থ্রিডি গ্রাফিক্সের কাজ না করেন, ও ভারী গেম না খেলেন তাহলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড যুক্ত ল্যাপটপ আপনার না হলেও চলবে। আর আপনি যদি গ্রাফিক্সের কাজ করেন ও হাই-এন্ড গেমস খেলেন, তাহলে গ্রাফিক্স চিপ দরকার হবে। এক্ষেত্রে মোটামুটি বাজেটের মধ্যে হলে এনভিডিয়া জিটিএক্স ১০৫০ থেকে শুরু করে ১০৮০ (উচ্চমূল্যের) বা আরও আধুনিক কোনো গ্রাফিক্স কার্ড যুক্ত ল্যাপটপ নিতে পারেন। এজন্য আসুসের গেমিং ল্যাপটপ আরওজি স্ট্রিক্স স্কার এডিশন দেখতে পারেন। আপনার বাজেট যদি বেশি থাকে, তাহলে আসুস আরওজি জেফ্রাস হতে পারে আপনার সেরা পছন্দের গেমিং বা হাই-কনফিগ ল্যাপটপ।


৫। র‌্যামঃ আপনাকে অবশ্যই ৪ জিবি অথবা তার থেকে বেশি র‌্যামের ল্যাপটপ কিনতে হবে যদি আপনি আপনার ল্যাপটপ স্বাচ্ছন্দ্যে এবং মসৃণ গতিতে চালাতে চান।
৬। হার্ডড্রাইভঃ ল্যাপটপের হার্ডড্রাইভ বেশি দেখে কেনা উচিত যাতে করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণের জন্য জায়গার অভাবে ভুগতে না হয়। ৭৫০ জিবি হার্ডডিস্ক স্পেস খারাপ না, কী বলেন? প্রচলিত হার্ডডিস্ক সময়ের সাথে স্লো হয়ে যায়। আপনি যদি বাজেট একটু বৃদ্ধি করতে পারেন, তাহলে হার্ডডিস্ক বদলে এসএসডি স্টোরেজ নিতে পারেন। ২৫০জিবি এসএসডি স্টোরেজের দাম প্রায় ৮ হাজার টাকা, যেখানে ৫০০জিবি হার্ডডিস্ক পড়বে সাড়ে ৩ হাজার টাকার মত।
৭। ব্যাটারিঃ ল্যাপটপের ব্যাটারির গায়ে যে রেটিং দেওয়া থাকে সেটি দেখে ল্যাপটপের ব্যাটারি কেনা উচিত। যে সকল ব্যাটারীর গায়ে 44Wh বা 50Wh লেখা থাকে সেগুলো বেশি সময় ধরে চার্জ় সংরক্ষণ করতে পারে। বর্তমানে ব্যাটারি প্রযুক্তির উন্নয়ন হয়েছে। ল্যাপটপের অফিসিয়াল ডকুমেন্ট দেখে এর ব্যাটারি ব্যাকআপ টাইম সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নেবেন। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী এটা বিভিন্ন হতে পারে। তবে ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ব্যাকআপ হলে ভাল হয়।
৮। ওয়্যারলেস কানেকশন এবং ব্লুটুথঃ ওয়াই ফাই অ্যাডাপ্টরের ক্ষমতা দেখে ল্যাপটপ কিনতে হবে যাতে নির্বিঘ্নে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক চালনো যায়। ডুয়াল ব্যান্ডের যেসকল অ্যাডাপ্টর পাওয়া যায় সেগুলো ভাল মানের হয়ে থাকে। ব্লুটুথের ক্ষেত্রে এখন বাজারে ব্লুটুথ ৪.o নির্ভরযোগ্য।


৯। ফুল সাইজের এসডি কার্ডের পোর্টঃ ল্যাপটপে অনেক সময় এসডি কার্ড লাগানোর দরকার পড়ে । এজন্য ল্যাপটপের সাথে এসডি কার্ডের স্লট আছে কিনা তা দেখে নেওয়া উচিত।
১০। ইউএসবি ৩.০: ইউ এসবি ৩ পোর্ট এর মাধ্যমে ইউএসবি ২ এর তুলনায় দ্রুত গতিতে ডাটা ট্রান্সফার করা যায়। এজন্য ল্যাপটপের পোর্টগুলো ইউ এসবি ৩ কিনা তা দেখে নেওয়া উচিত। অবশ্য বর্তমানে অধিকাংশ ল্যাপটপেই ইউএসবি ২ এবং ইউএসবি ৩ পোর্ট থাকে।
এই সকল বিষয় যদি বাজেটের সাথে মেলে তাহলে সবচেয়ে সুবিধাজনক ল্যাপটপটি কেনা উচিত। তবে সবসময় বাজেট নাও মিলতে পারে। এজন্য যেকোন একটি বিষয়ে ক্রেতাকে ছাড় দিতে হতে পারে।
Share:

For you

visite

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

Blogger দ্বারা পরিচালিত.

For You